• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kabir Suman

রাজ্য

কবীর সুমনকে ক্ষমা চাইতে বললেন কুনাল ঘোষ, কেন?

সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে বাংলা রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিদ্বজন পর্যন্ত হতবম্ব! সেখানে শোনা যাচ্ছে একজন সাংবাদিক আরেকজনের সাথে ফোনে বাক্যালাপ করছেন। দাবি করা হচ্ছে সেই দুই পক্ষের এক দিকে এক বহুজাতিক সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিক অপরদিকে যে কণ্ঠস্বর, সেটির সাথে বিশিষ্ট সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী ও তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কবির সুমনের কন্ঠের মিল আছে (যদিও জনতার কথা এই অডিও টির স্ত্যতা যাচাই করেনি)। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে টুইট করেন, যে অডিওটি ঘুরছে, সেটি যদি কবীর সুমনেরই হয়, তাহলে তা অতি আপত্তিকর এবং তীব্র প্রতিবাদযোগ্য। এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত, না চাইলে ব্যবস্থা হওয়া উচিত। জনপ্রিয় গায়ক বা প্রতিভাধর বুদ্ধিজীবী হলেই এ সব বলা যাবে, এটা হতে পারে না।ইতিমধ্যেই শনিবার সকালে কবির সুমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন সেখানে তিনি লেখেন, তিনি যা করেছেন, তা দরকার হলে আবার করবেন। পাশাপাশি লিখেছেন, ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে স্বাভাবিক ভাবেই আমি আক্রান্ত। এটাই হওয়ার কথা। আরও হবে। আমার যায়-আসে না। যা করেছি তা, দরকার হলেই, আবার করব। কবির সুমনের এই পোস্টের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিওটাকেই তিনি যে মান্যতা দিচ্ছেন, সেটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। যদিও কবির সুমন খুব সন্তর্পনেই ফোনে বাক্যবিনিময়ের ব্যপারটা এড়িয়ে গিয়েছেন, সে প্রসঙ্গ তিনি টানেননি তাঁর পোস্টে । এবং পোস্টটি তিনি পাবলিক করেননি, অর্থাৎ যে বা যাঁরা তাঁর ফ্রেন্ডলিস্টে থাকবে তারাই এটি দেখতে পারবেন।যে অডিওটি ঘুরছে, সেটি যদি কবীর সুমনেরই হয়, তাহলে তা অতি আপত্তিকর এবং তীব্র প্রতিবাদযোগ্য। এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত, না চাইলে ব্যবস্থা হওয়া উচিত। জনপ্রিয় গায়ক বা প্রতিভাধর বুদ্ধিজীবী হলেই এসব বলা যাবে, এটা হতে পারে না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) January 29, 2022তিনি তাঁর সেই পোস্টে আরও লিখেছেন, আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছিলেন, কিছুর পক্ষে যুক্তি দিতে যেও না। তোমার বন্ধুদের তা দরকার পড়বে না। তোমার শত্রুরা তা বিশ্বাস করবে না। সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম, শিল্পীর কোনও আলাদা স্বাধীনতা থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না। যে কোনও মানুষের যে অধিকার, তাদের অধিকার ততটাই। একটি বিশেষ চ্যানেল ও তার সাংবাদিকরা দিনের পর দিন যা করে যাচ্ছে, তার জবাব দিয়েছি উপযুক্ত ভাষায়। সুরসম্রাজ্ঞীর অপমানের বিরুদ্ধে যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল সেখানে কোন চ্যানেলের কোন সাংবাদিক কী করেছে, বলেছে আমি ভুলিনি।এর পর কবির লিখেছেন, সামগ্র দুনিয়ায় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা তাদের ইচ্ছেমতো পথে চলে। যে কোনও উপায় নেয়। যার হাতে চ্যানেল-কাগজ কিছু নেই, সে-ও তার ইচ্ছেমতো উপায় নেবে। এ বিষয়ে যাঁদের আগ্রহ, জার্মান কাহিনিকার হেনরিখ বোয়েল (Heinrich Boell)-এর লেখা The Lost Honour of Katharina Blum উপন্যাসটি পড়ুন। বইটি পড়া দরকার। একজন প্রাক্তন সাংবাদিক ও নিয়মিত পাঠক হিসেবে বলছি।এই প্রসঙ্গে কুনালের জোরালো প্রতিবাদের সাথে সাথে উল্লেখনীয় কবি ও গীতিকার শ্রীজাত-র ফেসবুক পোস্ট, তিনি সেখানে লিখেছেন, শিল্প আর শিল্পীর স্বাধীনতার আড়ালে যে যা খুশি করতে পারেন না। তিনি কবিরের-ই একটি গানেরর লাইনকে কোটেশন করে একটি সুবৃহৎ পোস্ট করেন বিরোধীকে বলতে দাও।ভাইরাল হওয়া ওই ফোনে কথাপোকথনের কোনও সুস্থ ও রুচিশীল মানুষের মুখ থেকে আস্তে পারে সেটা বিশ্বাস করাই কঠিন। ওপর দিকের ব্যাক্তিটি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে বলেছিলেন, যেন তাঁর ওই কথা ব্রডকাস্ট করা হয়। সুমনের মত কণ্ঠের ব্যক্তিটি অভিযোগ করছিলেন যে, ওই চ্যানেল ও তাদের সহকারীরা প্রবীণ গায়িকা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে মেরে ফেলছেন। এবং সেই অভিযোগ সুমন-সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিক সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের পদ্ম-সন্মান ফিরিয়ে দেওয়ার সাংবাদিক বৈঠকেও জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল সন্ধ্যার মতো প্রবীন ও বিদগ্ধ শিল্পীকে পদ্মশ্রী-র মতো পুরস্কার নিতে বলাটা চরম অন্যায়। একজন নব্বই-উর্ধ ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারের এই আচরণে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। এরপরেই, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁকে এসএসকেএম হয়ে বর্তমানে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Kabir Suman: গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমে

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গানওয়ালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি কিছুদিন যাবত কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে গান থেমে থাকেনি। চিকিৎসাধীন কবির নিত্যদিন সামাজিক মাধ্যমে সঙ্গীত নিয়ে নানা আলোচনা ও অভিজ্ঞতা নেটনাগরিকদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছেন গানওয়ালা। সমৃদ্ধ হন নেটনাগরিকগণ। রত্নগর্ভা বাংলা সঙ্গীত জগতের আপাত শেষ কিংবদন্তী কবির সুমন। তাঁর সাংগীতিক পাণ্ডিত্য নিয়ে আলোচনা করা ধৃষ্টতা সমসাময়িক খুব কমজনেরই আছে।কবির সুমন আবেগের আরেক নাম। যিনি অবলীলায় বলতে পাড়েন তাঁর সঙ্গীত অনুপ্রেরণায় কোন কোন মহান পন্ডিতদের প্রভাব। বহুল প্রচারিত এক টিভি অনুষ্ঠানে সেই ব্যখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন আমি আচার্য জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের স্তন্য পান করেছি, আমি পণ্ডিত রবিশঙ্করের স্তন্য প্রান করেছি। সবারকার যা ভালো তা একত্রিত করা সহজ ব্যাপার নয়। তিনি পেরেছিলেন। তিনি একাধারে গান লিখছেন আবার সেই গানের সুরারোপ-ও করেছেন। একের পর এক আনবদ্য সৃষ্টি। পেট কাটি চাঁদিয়াল, তুই হেঁসে উঠলেই, তোমাকে চায় থেকে হাল-আমলের জাতিস্মর সিনেমায় জাতীয় পুরস্কার পাওয়া গান এ তুমি কেমন তুমি। আধুনিক বাংলা গান নিয়ে নিত্য গবেষণা তাঁর। যেমন তাঁর গানে পশ্চিমী প্রভাব ছিল তেমনই তাঁর হিন্দুস্থানি মার্গ সঙ্গীতের প্রভাবও প্রকট। ঠুমরী, গজল নিয়ে তিনি বহু কাজ করেছেন।রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এক গুরুতর অভিযোগ তুললেন গানওয়ালা। চিকিৎসাধীন সুমন হাসপাতাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর তৈরি একটি রাগ চুরি করে এক ব্যাক্তি তাঁর নিজের নামে প্রচার চালাচ্ছেন। গানওয়ালার সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগের ভিত্তি থেকে জানা যায় আহির বৈরাগি রাগটি তিনি বছর খানেক আগে তৈরি করেছিলেন। তিনি জানান সুভদ্রকল্যাণ রানা নামক এক ব্যক্তি তাঁর বছর খানেক আগের তৈরি রাগটির বিস্তার সম্বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে জানতে চান। এবং ওই ব্যক্তি সেটি অনুষ্ঠানে বাজাবার অনুমতি চান। কবিরের অভিযোগ সুভদ্রকল্যাণ রানা তাঁর কাছে রাগরূপ জেনে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আহির বৈরাগি রাগটি তাঁর নিজের সৃষ্টি বলে প্রচার করতে থাকেন। দীর্ঘজীবী হোক রাগসঙ্গীত। বছরখানেকেরও আগে আমি আহীর বৈরাগী নামে একটি রাগ তৈরি করে ফেসবুকে সেই রাগের কথা জানিয়েছিলাম।...Posted by Kabir Suman on Saturday, 3 July 2021কবির সুমন জানান, তিনি এর প্রতিবাদ করলে সুভদ্রকল্যাণ রানা সামাজিক মাধ্যমে আরও কিছু মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে প্রতি আক্রমণ করেন। কবিরের দাবি, এমন ঘটনা এর আগেও অভিযুক্ত ঘটিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা আগামিদিনে এরকম ঘটনা আরও ঘটতে থাকবে। উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমের সুত্র থেকে জানা যায় অভিযুক্ত সুভদ্রকল্যাণ রানা একজন তবলা শিল্পী। বিশ্বখ্যাত তবলা গুরু পণ্ডিত শঙ্কর ঘোষ-এর কাছে থেকে তিনি তবলা শিক্ষালাভ করেছেন। এহেন সুভদ্রকল্যাণ রাণার উদ্দেশে গানওয়ালা বলেন, আশা করছি হিংসা হানাহানি, মিথ্যাচারে নয়, সঙ্গীত শিক্ষায় ব্রতী থাকবেন। শিখবেন। মন ভাল রাখবেন। সঙ্গীতসঙ্গ করবেন। সুরে তালে লয়ে থাকুন। সুমন তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের চিকিৎসক, সেবক, সেবিকা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহযোগিতায় সেরে উঠছি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। আমি সেরে উঠেই বাংলা খেয়ালের সেবায় ফিরে যাব। আমার জীবনের আসল কাজ, আমার জীবনের শেষ ব্রত। অগণিত কবির প্রেমী শ্রোতৃমণ্ডলী আরও একটা জাতিস্মর-এর সৃষ্টির আশায় রইলো।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

অসুস্থ কবীর সুমন

শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় সোমবার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমনকে। জ্বর এবং অন্যান্য কিছু সমস্যাও রয়েছে তাঁর। এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন সুমন। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাক্তার সৌমিত্র ঘোষ সুমনের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ভর্তির সময় সুমনের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ছিল ৯০। এই মুহূর্তে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে শিল্পীকে। অন্যান্য ওষুধও চলছে। সুমনের কোভিড পরীক্ষাও করা হয়েছে। যদিও এখনও রিপোর্ট আসেনি। এ ছাড়া সুমনের বুকের এক্স-রে, স্ক্যান ও রক্তপরীক্ষা করা হবে বলেও জানা গিয়েছে। বয়সজনিত কারণে ইদানীং মাঝেমধ্যেই তাঁর শারীরিক সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। এ বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হল শিল্পীকে।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

গড়িয়াহাটে 'সত্যাগ্রহ' কবীর সুমনের

নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান এবং তা নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় দলমত নির্বিশেষে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে এই ঘটনাকে সামগ্রিকভাবে বাংলার অপমান বলে নিন্দা জানিয়ে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, সংগীতশিল্পী কবীর সুমন । রবিবার সকালে তিনি গড়িয়াহাট মোড়ে পোস্টার নিয়ে এককভাবেই প্রতিবাদে শামিল হন। পোস্টারে লেখা জয় বাংলা। এই প্রতিবাদকে তিনি সত্যাগ্রহের সঙ্গে তুলনা করলেন।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ, যে যার মতো কথা বলতেই পারেন। কিন্তু নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যা হল, সেটা ফ্যাসিস্টদের আচরণ। জয় বাংলা এই বাংলায় অন্য কোনও কিছুর জয় নয়, শুধু বাংলারই জয় হবে। আমাদের প্রতিবাদ সত্যাগ্রহের মতো।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal